রোহিত শর্মা দীর্ঘ ৭ বছর পর বিজয় হাজারে ট্রফিতে ফিরে ৯৪ বলে ১৫৫ রানের টর্নেডো ইনিংস খেললেন রোহিত শর্মা। ৬২ বলে লিস্ট-এ ক্যারিয়ারের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড নিয়ে পড়ুন বিস্তারিত। ২০২৫ সালের বিজয় হাজারে ট্রফিতে মুম্বাইয়ের জার্সিতে দীর্ঘ সাত বছর পর মাঠে নেমেই ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সিকিমের বিরুদ্ধে আজ জয়পুরে তিনি মাত্র ৬২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার মাধ্যমে তাঁর দীর্ঘ লিস্ট-এ ক্যারিয়ারের দ্রুততম শতক অর্জন করেছেন। ৯৪ বলে ১৫৫ রানের এই বিধ্বংসী ইনিংসটি কেবল মুম্বাইকে ৮ উইকেটের বিশাল জয়ই এনে দেয়নি, বরং আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের আগে তাঁর ফর্ম নিয়ে ওঠা সমস্ত সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছে। জয়পুরের সওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে রোহিতের এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
কেন এই দীর্ঘ সাত বছর পর বিজয় হাজারে ট্রফিতে ফিরলেন রোহিত শর্মা?
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) নতুন কঠোর নীতি অনুযায়ী, জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের ফিটনেস ও ফর্ম প্রমাণ করতে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো কিংবদন্তিদের জন্য বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে এই টুর্নামেন্ট খেলা অপরিহার্য। রোহিত শর্মা সর্বশেষ ২০১৮ সালে মুম্বাইয়ের হয়ে খেলেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, ৩৮ বছর বয়সেও তিনি জাতীয় দলের হয়ে বড় মঞ্চে নিজেকে নিংড়ে দিতে কতটা মরিয়া। বিসিসিআই-এর এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হলেও রোহিতের আজকের পারফরম্যান্স সব সংশয় দূর করে দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির কারণে রোহিত সাধারণত ঘরোয়া ক্রিকেটে সময় দিতে পারেন না, তবে এবার পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। বিশ্বখ্যাত ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম Hindustan Times-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন বৈশ্বিক আসরের জন্য ভারতীয় টপ-অর্ডার ব্যাটারদের ছন্দে থাকা নিশ্চিত করতেই বোর্ড এই বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে। রোহিত এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে সিকিমের বোলারদের ওপর রীতিমতো স্টিমরোলার চালিয়েছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ৫০ ওভারের ফরম্যাটে দীর্ঘ সময় ক্রিজে কাটানো এবং বড় ইনিংস খেলার অভ্যাসটি পুনরায় ঝালিয়ে নেওয়া, যা তিনি আজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। এই ইনিংসটি কেবল রানের জন্য নয়, বরং চাপের মুখে তাঁর মানসিক দৃঢ়তা প্রমাণের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

রোহিত শর্মার ৬২ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরিটি কেন ক্রিকেট বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে?
রোহিত শর্মার আজকের ১৫৫ রানের ইনিংসটি পরিসংখ্যানের বিচারে অবিশ্বাস্য কারণ তিনি তাঁর নিজস্ব সেরা রেকর্ডগুলোকে আজ ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। এর আগে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিনি ৬৩ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন, যা ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম দ্রুততম। কিন্তু আজ সিকিমের বিপক্ষে মাত্র ৬২ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করে তিনি তাঁর লিস্ট-এ ক্যারিয়ারের দ্রুততম সেঞ্চুরি নিশ্চিত করেন। ১৬৪.৮৯ স্ট্রাইকরেটে খেলা এই দীর্ঘ ইনিংসে ছিল ১৮টি চার এবং ৯টি ছক্কা, যা প্রমাণ করে যে পাওয়ার-হিটিং এবং টাইমিংয়ের ক্ষেত্রে তিনি এখনো অপ্রতিরোধ্য। জয়পুরের মাঠে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক আজ এক বিশেষ ‘হিটম্যান শো’ দেখার সুযোগ পেয়েছেন যা আগামী অনেক বছর ঘরোয়া ক্রিকেটে চর্চিত হবে।
এই বিধ্বংসী ব্যাটিং প্রদর্শনী কেবল একটি ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বাই দলের আধিপত্যকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভারতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম The Times of India তাদের লাইভ ব্লগে উল্লেখ করেছে যে, রোহিতের এই বিধ্বংসী ফর্ম ভারতীয় নির্বাচকদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে এনেছে। ৯৪ বলে ১৫৫ রান করার পথে তিনি যেভাবে মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন, তাতে তাঁর বয়সের ছাপ বিন্দুমাত্র লক্ষ্য করা যায়নি। লিস্ট-এ ক্রিকেটে এটি তাঁর ৩৭তম শতক, যার মধ্যে ৩৩টি এসেছে সরাসরি ওয়ানডে আন্তর্জাতিক থেকে। এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্সের পর বিশ্ব গণমাধ্যমে রোহিতের ফিটনেস এবং তাঁর স্ট্রাইক রোটেট করার ক্ষমতা নিয়ে নতুন করে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এক নজরে রোহিত শর্মার রেকর্ডব্রেকিং ইনিংস
| বিষয় | পরিসংখ্যান / তথ্য |
| প্রতিপক্ষ | সিকিম (বিজয় হাজারে ট্রফি ২০২৫) |
| রান / বল | ১৫৫ রান (৯৪ বল) |
| সেঞ্চুরির সময় | ৬২ বল (ক্যারিয়ারের দ্রুততম) |
| বাউন্ডারি | ১৮টি চার ও ৯টি ছক্কা |
| স্ট্রাইকরেট | ১৬৪.৮৯ |
| ফল | মুম্বাই ৮ উইকেটে জয়ী |
সিকিমের বিপক্ষে মুম্বাইয়ের এই জয় ভারতীয় ক্রিকেটে কী বার্তা দিচ্ছে?
মুম্বাইয়ের এই জয়টি কেবল লিগ টেবিলের দুই পয়েন্টের জয় নয়, বরং এটি ঘরোয়া ক্রিকেটের মান এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের দায়বদ্ধতার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সিকিমের দেওয়া ২৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মুম্বাই মাত্র ৩০.৩ ওভারে লক্ষ্য পৌঁছে যায়, যা নেট রানরেটে তাদের অনেক এগিয়ে দিয়েছে। রোহিত শর্মার আক্রমণাত্মক মেজাজ পুরো দলকে এমন এক আত্মবিশ্বাস দিয়েছে যে, অন্য প্রান্তের ব্যাটারদের ওপর কোনো চাপই সৃষ্টি হতে পারেনি। বিসিসিআই কর্মকর্তাদের মতে, সিনিয়রদের এমন নিবেদন তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ। এই জয় প্রমাণ করে যে, যখন বিশ্বমানের ওপেনাররা ঘরোয়া লিগে খেলেন, তখন টুর্নামেন্টের জৌলুস এবং মান বহুগুণ বেড়ে যায়।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, রোহিতের এই ইনিংস ভারতের ওপেনিং কম্বিনেশন নিয়ে দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা এবং সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। ক্রীড়া পোর্টাল MyKhel তাদের হাইলাইটস রিপোর্টে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, রোহিতের এই ছন্দ আসন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে প্রতিপক্ষ বোলারদের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা। মুম্বাইয়ের হয়ে গত ১৯ বছরে খুব কম ম্যাচ খেললেও, যখনই তিনি ফিরেছেন, বড় রান উপহার দিয়েছেন। ২০১৮ সালের পারফরম্যান্সের পর আজকের ১৫৫ রান—এই ধারাবাহিকতা কেবল একজন অভিজ্ঞ ওপেনারের পক্ষেই সম্ভব। মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন রোহিতের এই পারফরম্যান্সকে ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছে।

৩৮ বছর বয়সেও রোহিত শর্মা কীভাবে নিজেকে ওয়ানডে ফরম্যাটে অপরিহার্য রাখছেন?
রোহিত শর্মা বর্তমানে ছোট ফরম্যাট থেকে দূরে থাকলেও, ওয়ানডে ফরম্যাটে তিনি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন এবং অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর ব্যাটিং শৈলীতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়ার হিটিং এবং শুরু থেকেই আক্রমণ করার মানসিকতা দেখা যায়। আজকের ইনিংসে তিনি প্রথম দিকে কিছুটা সময় নিয়ে পিচ বুঝে নিলেও, সেট হওয়ার পর সিকিমের কোনো বোলারকেই রেহাই দেননি। রোহিত শর্মার এই ধ্বংসাত্মক রূপটি মূলত শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে, যেখানে তিনি শুরু থেকেই বোলারদের ওপর চড়াও হওয়ার কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। ৩৮ বছর বয়সেও তাঁর রিফ্লেক্স এবং হ্যান্ড-আই কোঅর্ডিনেশন বর্তমান প্রজন্মের ব্যাটারদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক।
ভারতের জাতীয় দলের প্রধান কোচ এবং নির্বাচক মণ্ডলী সবসময়ই রোহিতের অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রেখেছেন কারণ তিনি বড় ম্যাচের খেলোয়াড়। একটি বিশেষ নিবন্ধে বলা হয়েছে, রোহিতের নেতৃত্ব এবং ব্যাটিং কৌশল ভারতের ওয়ানডে স্কোয়াডের মূল স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে। আজকের ম্যাচে তাঁর স্ট্রাইকরেট এবং বড় শট খেলার প্রবণতা এটাই নিশ্চিত করে যে, তিনি কেবল ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন না, বরং সেখানে ট্রফি জয়ের প্রধান কারিগর হতে চান। ফিটনেস নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই ট্রোল হলেও ব্যাট হাতে ১৫৫ রানের এই ম্যারাথন ইনিংস প্রমাণ করে যে, রোহিত শর্মা এখনো ফুরিয়ে যাননি, বরং তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বসন্ত উপভোগ করছেন।
বিজয় হাজারে ট্রফিতে রোহিতের এই প্রত্যাবর্তনের ভবিষ্যৎ প্রভাব কী হতে পারে?
রোহিত শর্মার এই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের ফলে বিজয় হাজারে ট্রফির জনপ্রিয়তা এবং বাণিজ্যিক গুরুত্ব রাতারাতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে স্পনসর এবং দর্শকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে, যা ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক। কিন্তু এর চেয়েও বড় প্রভাব পড়বে জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে এবং তরুণ তুর্কিদের মানসিকতায়। যখন একজন জাতীয় দলের অধিনায়ক ঘরোয়া লিগে এসে এমন বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, তখন দলের ব্যাকআপ খেলোয়াড়দের ওপর পারফর্ম করার প্রবল চাপ তৈরি হয়। এটি একটি সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করবে যা দীর্ঘমেয়াদে ভারতীয় ক্রিকেটের রিজার্ভ বেঞ্চকে আরও শক্তিশালী এবং কার্যকর করে তুলবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা চিন্তা করলে, রোহিতের এই সেঞ্চুরি নির্বাচকদের বাধ্য করবে তাঁকে নিয়ে আরও দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করতে এবং বিশ্বকাপের ব্লু-প্রিন্ট সাজাতে। ভারতের সংবাদমাধ্যম Sangbad Pratidin তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, রোহিত ও কোহলির একই দিনে সেঞ্চুরি প্রমাণ করে তাঁরা এখনো দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আজকের ম্যাচে তাঁর ৯টি দানবীয় ছক্কা মারার ক্ষমতা দেখিয়েছে যে, বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। জয়পুরের মাঠ থেকে আসা এই শক্তিশালী বার্তাটি বিশ্ব ক্রিকেটের কাছে পৌঁছে গেছে—রোহিত শর্মা আবারও নিজের বিধ্বংসী মেজাজে ফিরে এসেছেন এবং তিনি লক্ষ্যভেদে কোনো ভুল করবেন না।
JitaBet , JitaWin , এবং JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন, তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!
উপসংহার:
বিজয় হাজারে ট্রফিতে রোহিত শর্মার ১৫৫ রানের এই মহাকাব্যিক ইনিংসটি কেবল একটি ঘরোয়া ম্যাচের সাধারণ পারফরম্যান্স নয়; এটি ভারতীয় ক্রিকেটের এক নতুন ও শক্তিশালী অধ্যায়ের সূচনা। দীর্ঘ সাত বছরের বিরতি কাটিয়ে ফিরে এসে প্রথম ম্যাচেই মাত্র ৬২ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকানো কোনো সাধারণ ব্যাটারের পক্ষে সম্ভব নয়। রোহিত শর্মা আজ পুনরায় প্রমাণ করেছেন কেন বিশ্বজুড়ে তাঁকে ‘হিটম্যান’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। তাঁর ব্যাটিংয়ের প্রধান বিশেষত্ব ছিল নিখুঁত টাইমিং এবং বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করার অদম্য সাহস, যা সিকিমের বোলারদের কোনোপ্রকার সুযোগই দেয়নি। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি কেবল নিজের ব্যক্তিগত সক্ষমতা জাহির করেননি, বরং তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন যে, জাতীয় দলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রতি নিবেদন কতটা থাকা প্রয়োজন।
আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে রোহিতের এই অতিমানবীয় ফর্ম ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। মিডল অর্ডারে অস্থিরতা এবং ওপেনিং স্লটে পরিবর্তনের যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, তাকে এই এক ইনিংসেই স্তব্ধ করে দিয়েছেন রোহিত। বিসিসিআই এবং জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটি যে পরিকল্পনা নিয়ে সিনিয়রদের ঘরোয়া লিগে পাঠিয়েছিল, তার শতভাগ সুফল আজ জয়পুরের মাঠে পাওয়া গেল। এটি এখন বিশ্ব ক্রিকেটের কাছে স্পষ্ট যে, রোহিত শর্মা কেবল নামেই অধিনায়ক নন, তিনি মাঠের পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে সদা প্রস্তুত। জয়পুরের রাজকীয় মাঠ থেকে আসা এই ইনিংসটি চিরকাল লিস্ট-এ ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তন হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। রোহিতের এই আত্মবিশ্বাস এবং বিধ্বংসী মেজাজ আগামী আন্তর্জাতিক সিরিজগুলোতে ভারতের জয়ের পথকে আরও সুগম এবং প্রশস্ত করবে বলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ মহলের দৃঢ় বিশ্বাস।
আরও বিস্তারিত আপডেট ও খবর জানতে ভিজিট করুন আমাদের নিউজ ওয়েবসাইট jitawins News








